
পৃথিবীতে হাজারো ধর্ম আছে । ভিন্ন ভিন্ন মতবাদ নিয়া গড়ে ওঠেছে এই ধর্মগুলো । কোন ধর্ম বিধাতাকে বিশ্বাস করে, আবার এমন অনেক ধর্ম আছে যারা স্রষ্টায় বিশ্বাস করে । কেউ মানেন অদৃশ্য স্রষ্টায় বা কেউ পশু-পাখিকে । একজন মানুষ কে মানেন এমন ধর্মও আছে পৃথিবীতে । প্রকৃতিতেও মেনে চলে এমন ধর্মও নেহাৎ কম নয় ।
নির্দিষ্ট কারো কথার উপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে ধর্ম আবার নির্দিষ্ট কাউকে ভালোবেসেও তার অনুসারীরা তৈরী করে ধর্ম । কথা শুনলে পিলে চমকাবার মতো অবস্থা হলেও আসলে এমন ধর্ম আছে বেশ কতক ।
বিখ্যাত বক্তিদের ভক্তবৃন্দ থাকবে এইটাই স্বাভাবিক । সেই ভক্তদের একদল হবে মার-কাটারে টাইপ কেউ যদি সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কিছু বলে তাহলে তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিবে, আরেকদল হবে শান্ত-শিষ্ঠ আলোচক, বিরুদ্ধ দলের যুক্তির বাহার খন্ডন করবে । গড়ে উঠবে দেশ জাতি ভেদে ভক্তদের সংগঠন । নানা নামে নানা মোড়কে গড়ে উঠবে এই সংগঠন বিভিন্ন কাজের ইচ্ছা আর লক্ষ্য থাকবে তাদের, এমনটাই হয় স্বাভাবিক সকল বিখ্যাত ব্যক্তিদের ভক্ত সমাজ । তবে তার বেশ ব্যতিক্রমও আছে বটে, বিখ্যাত ব্যক্তিদের উপরে ভিত্তি করে সেই বিখ্যাত ব্যক্তিকেই নিয়ে গড়ে উঠবে একটা ধর্ম বিষয়টা অস্বাভাবিক এবং বিদঘুটে ।
শুনতে যেমনই শোনাক না কেন এমনও ব্যতিক্রম অনুসারীর দলেরাও যে আছে তাদের সাথে পরিচিত হওয়া যাক । শুধু একটি দুটি নয় এমন বেশ কতগুলো ধর্ম আছে এই পৃথিবীতে ।
আমরা বিখ্যাত ব্যক্তিদের ভালোবেসে, তাদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে করি হাজারো কর্মকাণ্ড, কতক হয় ভালো – প্রশংসা কুড়ায় আর কতক হয় হাসিরপাত্র । এমন কিছুও করি আমরা যাকে এই ধাচে ফেলে বিচার করা যাবে না ।

বিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় এর নাম যদি আপনাকে জ্বিজ্ঞেস করা, সম্ভবত নির্দ্ধিধায় বিনাবাক্যব্যয়ে আপনি বলে উঠবেন পেলে অথবা ম্যারাডোনা’র নাম তা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই । তারা দুইজন ফুটবলে নিজ দেশের জন্যে যে কৃতিত্বের সাক্ষর রেখে গিয়েছেন তা অতুলনীয় । তাদের ফুটবলের কৌশল ছিল শিল্পের পর্যায়ে ।
প্রখ্যাত লেখক সুনীল গাঙ্গুলী তাঁর কোন এক লেখায় বলেছিলেন, ম্যারাডোনার খেলা না দেখলে তাঁর জানাই হতো না যে ফুটবল একটা শিল্প হতে পারে।
তাদের মধ্যে কে সেরা সেটা বিচারের দ্বায়িত্ব আপনার । তবে তাদের ভক্তবৃন্দের সংখ্যা যে কোন দিকেই কম ছিলো না এ কথা মানতেই হবে । প্রত্যেক দেশে রয়েছে তাদের ভক্তবৃন্দ। এখনও ফুটবলের কথা উঠলেই উঠে আসে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল এর নাম, এমন কী অনেকের কাছে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল বাদে অন্য কোন স্থানও পায় ফুটবল খেলোয়াড়ের দল হিসেবে । সারাবিশ্বে তাদের দেশের এই পরিচিতি তৈরির পিছনে যে এই দুই কান্ডারির কৃতিত্বই যে বেশী তা আপনি আমি সবাই মানি । দুই দেশের সাথে লেখা আছে এই দুই নাম ।


তাদের ভক্তবৃন্দরা তাদের ভালোবেসে বানিয়েছে স্ট্যাচু, এঁকেছে গ্রাফিতি, নাম করেছে রাস্তার নাম, ছেলে-মেয়ের নাম রেখেছে মিল রেখে বা স্টেডিয়াম উৎসর্গও করেছে, তৈরী করেছে ক্লাব সংগঠন । তবে এত-শত সমর্থক গোষ্ঠীর পাশাপাশি ধর্ম গড়ে উঠলে বিষয় টা কেমন যেন দৃষ্টি কটুই দেখায় । দেখতে সে যাই হোক না কেন ।
ম্যারাডোনাকে বলা বিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় এর পাশাপাশি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ উচ্ছৃঙ্খল খেলোয়াড়দের একজন । তার নামে অনেক কথা থাকলেও এতে যে তার ভক্তের হৃদয়ে সামান্য তম দোলা দিতে পারেনি তা তার ভক্তদের দিকে তাকালেই বোঝা যায় ।

তার হাজারো ভক্তদের সংগঠন রয়েছে তবে তাদের মধ্যেই একটা এমন দল রয়েছে যারা গড়ে তুলেছে ধর্ম । সবাই সমর্থক সংগঠন তৈরি করলেও এরা করেছে সংগঠন । ধর্ম কী বললেই তৈরী হয় থাকতে হয় আইন, মানতে হয় বিধিনিষেধ থাকতে হবে নিজস্ব গ্রন্থ । এই ধর্মের কী আছে এই সব নাকি বলে কয়েই তৈরি করেছে এই সংগঠন । এই ধর্মের নাম “ইগলেসিয়া মারাদোনিয়ানা” ।
ইগলেসিয়া মারাদোনিয়ানা’র ধর্মীয় বিশ্বাসঃ
ম্যারাডোনা কে নিয়ে তৈরি কৃত এই ধর্মের নাম Iglesia maradoniana (ইগলেসিয়া মারাদোনিয়ানা) যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় ম্যারাডোনা’র গির্জা । প্রতিটা ধর্মের যেমন নিজস্ব বিশ্বাস থাকে তাদেরও এমন বিশ্বাস আছে, আছে নিজস্ব সংস্কৃতি তবে তা অন্যের থেকে যদিও ধার করা ।
এই ধর্মের ধর্মানুসারিরা বিশ্বাস করে, দিয়েগো ম্যারাডোনা পৃথিবীর সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়। আমরা পেলে বা মেসি, নেইমার, রোনালদো বা জালাতান কে সর্বকালের সেরা মনে করলেও এই ধর্মের লোকেরা মনে করে ম্যারাডোনাই পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবল খেলোয়াড় ।

ধর্মের উৎপত্তিঃ
অক্টোবর ৩০ সালটা ১৯৯৮ ম্যারাডোনা তখন
কেবল মাত্র অবসরে এসেছেন, সারাবিশ্ব ব্যাপী তার নাম ডাক, বিশ্বের আনাচে কানাচে তৈরী হয়েছে লাখ লাখ ভক্ত বৃন্দ । ডাকা হচ্ছে ‘এ গোল্ডেন বয়’ অথবা ‘ফুটবলের ঈশ্বর’ নামেওও । খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে অবসর নিলেও সংখা কমেনি ভক্তের । তরুন টগবগে যুবক তখন ম্যারাডোনা । তার আটত্রিশ তম জন্মদিন সেদিন, আর্জেন্টিনার রোজারিওতে দিয়েগো মারাডোনা’র ৩৮তম জন্মদিনে তার তিন ভক্ত হেক্টর ক্যাম্পোমার, আলেহান্দ্রো ভেরন ও হার্নান আমেজ স্থাপন করলেন এক উপাসনালয় । সেই উপাসনালয়ের নাম দিলেন ‘হ্যান্ড অব গড’ বা ‘ঈশ্বরের হাত’ শুরু করলের এক ধর্মের । এই উপাসনালয় স্থাপনের মাধ্যমে সূচনা হলো এই ইগলেসিয়া মারাদোনিয়ানা’র । তৈরী হলো পৃথিবীতে আরো একটি নতুন ধর্ম যোগ হলো সেই ৪২০০ ধর্মের কাতারে ।
এই ধর্মের অনুসারীরা বলেন তাদের এই ধর্ম একধিক ধর্মের মতামতের ব্যাখ্যার ভিত্তিতে তৈরী একটা ধর্ম, একাধিক ধর্মের সমন্বয় করে তৈরি হয়েছে এই ‘যৌগিক ধর্ম’ ইগলেসিয়া মারাদোনিয়া’র। এখন পর্যন্ত এই ধর্মকে একটি সম্মিলিত ধারার ধর্ম হিসেবেই দেখা হয়।

কারা এই ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাঃ
এই ধর্মের প্রবক্তা মোট তিনজন । এই তিনের অন্যতম হলেন আলেহান্দ্রো ভেরন, তার ভাষ্য মতে তিনি রোমান ক্যাথলিক খ্রিষ্টান ধর্মের একজন যোগ্য অনুসারী, তবে তার হৃদয়ে তৈরি হওয়া সীমাহীন ভালোবাসা আর আবেগকে একটি ধর্মের দিকে বয়ে নিয়ে গেছে, আর তা হলো, দিয়েগো মারাডোনার । মারাডোনার প্রতি অতিরিক্ত ভালোবাসা থেকেই ধারণা এসেছিলো এই ধর্মের, তৈরি করে এই ধর্ম।
আলেহান্দ্রো ভাইস কে দেওয়া এক ইন্টারভিউ তে বলেন

ফুটবল আর্জেন্টিনায় ধর্মের মতো, আর প্রত্যেক ধর্মের একজন ঈশ্বর রয়েছেন, যেমন খ্রিষ্টানদের যিশু তেমনি তাদেরও ম্যারাডোনা ।
ধারণা করা হয়, সমগ্র বিশ্বব্যাপীই এইধর্মের অনুসারীরা আছেন । তবে আর্জেন্টিনা এবং মেক্সিকোতে তা তূলনামূলক খুবই বেশী । তাদের নিজস্ব সালও রয়েছে, রয়েছে গননা পদ্ধতিও, তারা মারাডোনার জন্মসাল (১৯৬০) হতে তারা তাদের নিজস্ব সালগণনা করেন । খ্রিষ্টাব্দের মতোই তারাও ম্যারাডোনাঅব্দ পালন করছে । খ্রিষ্টানদের বাইবেল এর মতো তাদেরও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ রয়েছে, ধর্ম গ্রন্থে যেমন ঈশ্বরের বানী লেখা থাকে, ঈশ্বর বলেছি কীনা সে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া না গেলেও তাদের ধর্ম গ্রন্থ কিন্তু তাদের ঈশ্বর স্বয়ং নিজেই লিখেছেন গ্রন্থখানা । সেই বিখ্যাত গ্রন্থটি ম্যারাডোনার আত্মজীবনী, যার নাম ‘আমি জনতার দিয়েগো’ । তাদের রয়েছে নিজস্ব ক্রিসমাস যা ম্যারাডোনার জন্মদিনে পালন করা হয় । ৩০ শে অক্টোবর প্রতি বছর তাদের ক্রিসমাস ।



ইগলেসিয়া ম্যারাদোনিয়ানা’র রয়েছে প্রার্থনা সংগীত । যা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের শুরুতে গাওয়া হয়ে থাকে । তাদের রয়েছে নিজস্ব বিবাহ ব্যবস্থা । এবং কঠোর দশটি আইন । যা মানতেই হবে । তাদের নিজের নামের মধ্যে ডিয়েগো শব্দ ব্যবহার করতে হবে । কারো নাম যদি লিওলেন মেসি হয় তাহলে তার নাম হবে লিওলেন ডিয়েগো মেসি । এবং বাধ্যতামূলক ভাবে প্রথম সন্তানের নাম ডিয়েগো রাখতেই হবে ।
ম্যারাডোনার নিজস্ব ধর্ম বিশ্বাসঃ
যাকে নিয়ে এতো মাতামাতি, যাকে বসানো হয়েছে ঈশ্বরের স্থানে । সেই ম্যারাডোনা কিন্তু কখনই এই ধর্মে কখনই বিশ্বাসী ছিলেন না । তিনি ছিলেন একজন খ্রিস্টান ক্যাথলিক । উপাসনালয়ে নিয়মিত না হলেও অনিয়মিত আসা যাওয়া ছিলো । ধর্মের বিতর্ক নিয়ে তার বিখ্যাত উক্তিটি:

God makes me play well. That is why I always make the sign of the cross when I walk out onto the field. I feel I would be betraying Him if I didn’t.
“ঈশ্বরের কারণেই আমি ভালো খেলি । এজন্যই যখন আমি মাঠে যাই ক্রসের চিহ্ন সাথে রাখি । আমার অনুভব হয় এটা না রাখলে আমি ঈশ্বরের সাথে প্রতারণা করে ফেলবো ।”
ম্যারাডোনার হাত দিয়ে গোল দেওয়ার ইতিহাস তো সবাইই জানি আমরা । কীভাবে সুচতুর ভাবে সকলকে ফাঁকি দিয়ে তাৎক্ষণিক বুদ্ধির ভারে হাত দিয়েই দিলেন গোল । ম্যারাডোনার সবচেয়ে বিতর্কিত উক্তিটি ছিলো সেই প্রসঙ্গেই ।
১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হাত দিয়ে গোল করার পর বলেন:
[I scored the goal] a little with the head of Maradona and a little with the hand of God.
“আমি গোল করেছি একটুখানি ম্যারাডোনার হাত ও একটুখানি ঈশ্বরের হাত দিয়ে”
ইগলেসিয়া ম্যারাদোনিয়া ধর্মের দশটি মূলনীতি যা তাদের সকল সদস্যদের কে বাধ্যতামূলক মানতেই হবেঃ
- ১। ফুটবলকে কখনো ময়লা করা যাবে না।
২।ফুটবলকে যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে।
৩।ম্যারাডোনা ও ফুটবলের প্রতি শর্তহীন ভালোবাসা প্রকাশ
করতে হবে।
৪।আর্জেন্টিনার জার্সিকে প্রতিরক্ষা করতে হবে।
৫।ডিয়াগো ম্যারাডোনার অলৌকিক শক্তিকে সারা পৃথিবীতে
প্রচার করতে হবে।
৬।মন্দিরগুলো যেখানে সে খেলেছে(ফুটবল স্টেডিয়াম) ও
ম্যারাডোনার জার্সিকে সম্মান করতে হবে।
৭।ম্যারাডোনাকে কোনো দলের সদস্য দাবী করা যাবে না।
৮।চার্চ অফ ম্যারাডোনার মূলনীতি প্রচার করতে হবে।
৯।ডিয়াগোকে নিজের মধ্য নাম ও নিজের প্রথম ছেলের
ডিয়াগো রাখতে হবে।
১০।বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা যাবে না ও নিজেকে
অপ্রয়োজনীয় করে তোলা যাবে না।




পৃথিবীতে মোট ধর্ম রয়েছে চার হাজারেও বেশী । এক ধর্ম আরেক-ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলে যাচ্ছে, যুক্তি তর্ক খন্ডন করে যাচ্ছে নিয়মিত । কোথাও হাতাহাতি থেকে যুদ্ধ বিদ্রোহ পর্যন্ত চলে যাচ্ছে । নিজের ধর্মকেই শ্রেষ্ঠত্ব প্র মানের মুকুট পড়াতে উঠে পড়ে লেগেছে । তাদের এই ধর্মেরও সমালোচনা হচ্ছে না যে তা না । তুলনামূলক কম হলেও তাদের এই ধর্মের সমালোচনা হচ্ছে । বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গুনীজনেরা তাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন এখন পর্যন্ত । তাদের বেশীরভাগেরই একই অভিযোগ ছিলো এই ধর্মের বিরুদ্ধে তা হলো,
দিয়েগো ম্যারাডোনা ছিলেন একজন উচ্ছৃঙ্খলতায় পরিপূর্ণ ও অনিয়ন্ত্রিত একজন মানুষ । তার জীবন যাপন ছিলো বিতর্কে পরিপূর্ণ । মাদকাসক্তি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের অভিযোগ নিয়েই কেটেছে যৌবন থেকে শেষ অবধি । এমন ব্যক্তি কখনই কোন আর্দশ মানুষ হতে পারে, তাকে অনুসরন করার মতো কিছুইই নেই । তাকে যেখানেই অনুসরণ করাই যেখানে বিতর্কিত সেখানে তাকে ঈশ্বরের স্থানে বসানোর মতো কোন যুক্তিতেই বিশ্বাস করা যায় না । তিনি ইশ্বরের মর্যাদা পাওয়ার উপযুক্ত নন। এই যুক্তিতে মারাদোনিয় গির্জা সমালোচিত হয়েছে, হচ্ছে । তবে এমন সব আলোচনা-সমালোচনা যা ম্যারাডোনার প্রতি ভক্তদের ভালোবাসা কমিয়ে দিচ্ছে না তা ঠিক । তারা ঠিকই নিজেদের কার্যক্রম নিয়মিত ভাবে পরিপূর্ণ করে যাচ্ছে ।
তথ্যসূত্রঃ
Wikipedia:
https://en.m.wikipedia.org/wiki/Iglesia_Maradoniana
Vice Documentary:
https://youtu.be/knRo_1xrJ2A
Fifa:
https://youtu.be/AcNlMybIkRo
https://www.90min.com/posts/iglesia-maradoniana-the-religion-dedicated-to-diego-maradona
https://www.reuters.com/lifestyle/church-honor-maradona-opens-its-doors-mexico-2021-07-16/
© All rights Receive by Shadhu Mediacell 2018












































